Posts

Showing posts with the label ভাবসম্প্রসারণ

ভাবসম্প্রসারণঃ পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি

Image
  পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি  ভাবসম্প্রসারণ : পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি এর ভাব সম্প্রসারণ সম্পর্কে আমাদের আজকের আলোচনা।  ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম  সম্পর্কে আমাদের একটি আর্টিকেল আছে সেটি আপনি পড়ে আসতে পারেন। ভাব সম্প্রসারণ মূলত ভাবের সম্প্রসারণ ঘটনাকেই বোঝায়। এখানে ভাব সম্প্রসারণ লেখার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করব না বরং পরিশ্রম সাফল্যের প্রতি এটির ভাব সম্প্রসারণ এর মূল আলোচনাটি তুলে ধরব। আমি কোন বই-পুস্তকের ভাষা না বলে সরাসরি ভাব সম্প্রসারিত করার চেষ্টা করব। 

ভাবসম্প্রসারণ : পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি । Porisrom Souvagger Prosuti

Image
ভাবসম্প্রসারণ : পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি এর ভাব সম্প্রসারণ সম্পর্কে আমাদের আজকের আলোচনা।  ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম সম্পর্কে আমাদের একটি আর্টিকেল আছে সেটি আপনি পড়ে আসতে পারেন। ভাব সম্প্রসারণ মূলত ভাবের সম্প্রসারণ ঘটনাকেই বোঝায়। এখানে ভাব সম্প্রসারণ লেখার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করব না বরং পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রতি এটির ভাব সম্প্রসারণ এর মূল আলোচনাটি তুলে ধরব। আমি কোন বই-পুস্তকের ভাষা না বলে সরাসরি ভাব সম্প্রসারিত করার চেষ্টা করব। 

ভাবসম্প্রসারণ: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন

ভাবসম্প্রসারণ: পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন ভাবসম্প্রসারণ : অন্যের ক্ষতি করার চিন্তা-ভাবনা করলে পরিণামে নিজেরই ক্ষতি সাধিত হয়। তাই পরের ক্ষতির চিন্তা থেকে দূরে থাকা সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন-এর সৃষ্ট সকল মানুষের যাবতীয় কর্ম প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো সুখে-শান্তিতে ও আরামে থাকা। এ দুনিয়ায় কত রকমের মানুষ দেখা যায়। কেউ নিজের সবকিছু দিয়ে, এমন কী প্রাণ দিয়েও পরের উপকার করে। আবার এমন লোকও আছে, যারা পরের ভালো তো করেই না বরং কী করে সর্বনাশ করা যাবে সেই চিন্তায় সব সময় মশগুল থাকে। এ ধরনের মানুষ নেহায়েতই অমানুষ। তাদের অনিষ্ট আচরণে শুধু সেই নয়, সাথে ব্যক্তি ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় : "যারে তুমি নিচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিছে যে নিচে, পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।" উল্লিখিত উত্তিটির মূলকথা হলো- যে নিজের উপকার হবে ভেবে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়, মূলত সে নিজেই তার নিজের ক্ষতি করে। পৃথিবীতে মহাপুরুষগণের জীবনী পাঠে দেখা যায়, তাঁরা সমগ্র জীবন মানুষের কল্যাণ সাধনে বিলিয়ে দিয়েছেন। মহানবী...

ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম

Image
  ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম নিয়ে আজকের আলোচনা। বাংলা দ্বিতীয় পত্রে আমাদের  সাধারণত ভাবসম্প্রসারণ লিখতে হয়।  আমাদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা জীবনে একবারও ভাবসম্প্রসারণ লেখেনি এমন।  তবে পাওয়া যদিও যায় তবে সে সংখ্যাটা হবে একেবারেই কম।  কারণ ভাবসম্প্রসারণ হচ্ছে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ছোট একটি ভাবকে সম্প্রসারিত রূপে প্রকাশ করে।   কিন্তু আমাদের মধ্যে সবাই সুন্দর করে ভাবসম্প্রসারণ লিখতে পারেনা কারণ তারা জানে না আসলে ভাবসম্প্রসারণ টা কি।  আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব ভাব-সম্প্রসারণ কি এবং কিভাবে ভাবসম্প্রসারণ লিখতে হয় অথবা ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম। 

ভাবসম্প্রসারণ: আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য

ভাবসম্প্রসারণ: আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য  ভাবসম্প্রসারণ: মানুষের বিভিন্ন মানবীয় ও মহৎ গুণাবলির মধ্যে আত্মশক্তি অন্যতম। কেউ আত্মশক্তিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে পারে, আবার কেউ পারে না। আত্মশক্তির বলে মানুষ নিজের শক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে ও কাজকর্ম করতে পারে। আত্মশক্তি না থাকলে মানুষ নিজের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। তখন সামান্য কাজেও তাকে অন্যের সাহায্যের অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়। আত্মশক্তি মানুষের মাঝে গুপ্তধনের মতোই অজ্ঞাতভাবে থাকে। আত্মশক্তি মানুষের একটি সুপ্ত প্রতিভা। শিক্ষার মাধ্যমেই এটা একজন মানুষের অন্তরে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হতে পারে। যে শিক্ষা মানুষকে তার আত্মপ্রত্যয়ে উজ্জীবিত করে না, সে শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা নয়। কারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানুষের এ সুপ্ত প্রতিভাকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করা। শিক্ষা মানুষকে আত্মবিশ্বাস প্রসারে সাহায্য করে। আত্মবিশ্বাস আত্মশক্তিরই নামান্তর। মানুষকে সুন্দর, সমৃদ্ধ ও সুখী জীবন লাভ করার জন্য অনেক দুঃখকষ্ট সহ্য করতে হয়, অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয় এবং অনেক প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে সংগ্রাম করতে হয়। আত্মশক্তি না থাক...

ভাবসম্প্রসারণঃ স্বদেশের উপকারের নাই যার মন, কে বলে মানুষ তারে পশু সেই জন

স্বদেশের উপকারের নাই যার মন, কে বলে মানুষ তারে পশু সেই জন ভাবসম্প্রসারণ : মা, মাতৃভূমি, মাতৃভাষা প্রত্যেকের একান্ত আপনার ধন। আর এসবকে যে অবজ্ঞা করে সে কখনো প্রকৃত মানুষের মর্যাদা পায় না। তার মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে না। দেশপ্রেম প্রতিটি মানুষেরই একটি একান্ত অনুভূতি। প্রত্যেক মনীষীই জন্মভূমিকে সর্বাগ্রে ভালোবাসার স্থান দিয়েছেন। কোনো এক দেশপ্রেমিক বলেছেন, “জননী জন্ম-ভূমিশ্চ স্বর্গাদপী গরীয়সী।" অর্থাৎ, মা আর মাতৃভূমিকে স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ স্থানে অধিষ্ঠিত করেছেন। জন্মের পর হতেই প্রতিটি মানুষের মাঝে নিজের অজান্তেই দেশপ্রেম গড়ে ওঠে। কেননা শৈশব হতেই প্রাণের সাথী হয়ে ওঠে জন্মভূমি। তাই প্রতিটি মানুষের নিকটই জন্মভূমি অত্যন্ত প্রিয় হয়ে ওঠে। এ স্বদেশের উপকার বা দেশকে রক্ষা করার জন্যে কত লোক যে জীবন বিসর্জন দিয়েছেন তার কোনো হিসেব নেই, দেশের জন্য জীবন দিয়ে মানুষ রিক্ত হন না বরং হন তাঁরা ধন্য। তাঁরা কখনো মরেন না। শহিদ হয়ে অমর হয়ে থাকেন।  যেমন- অমর হয়ে আছেন রফিক, সফিক, বরকত, সালাম এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের বীর শহিদেরা বাংলাদেশের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করার মানস...

ভাবসম্প্রসারণঃ ভোগে নয়, ত্যাগেই সুখ

ভাবসম্প্রসারণঃ ভোগে নয়, ত্যাগেই সুখ  ভাবসম্প্রসারণ : ত্যাগ করতে না পারলে ভোগ করে আনন্দ পাওয়া যায় না। স্বার্থলোলুপতা, ভোগাকাঙ্ক্ষা বা আত্মসুখপরায়ণতা মনুষ্যত্বের পরিপন্থি। যে ব্যক্তি শুধু নিজের স্বার্থচিন্তায় তৎপর, নিজের ভোগবিলাসে নিমজ্জিত, জগৎ ও জীবনের বৃহত্তর অঙ্গন থেকে সে স্বেচ্ছানির্বাসিত। জগতবাসীর ভালোমন্দ, সুখদুঃখ, মঙ্গল-অমঙ্গল তার হৃদয়মনকে স্পর্শ করে না, এ পৃথিবীর আলো-আঁধার তার মানসরাজ্যে কোনোরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। বিরাট এ জগৎ সংসারের কল্যাণ-অকল্যাণ সম্পর্কে যে একান্ত নির্লিপ্ত ও উদাসীন, অর মানব জনম বৃথা। তার বেঁচে থাকা না থাকা সমান। কেননা জীবনের সার্থকতা তথা মনুষ্য জন্মের সফলতা কখনো স্বার্থপরতায় নিহিত নয়। মানুষের যে দুর্লভ গুণটি তাকে অপরাপর সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছে তা-ই মনুষ্যত্ব। মনুষ্যত্বের সারকথা, জাগ্রত বিবেককে শুভ ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করা। অপরাপর প্রাণীর প্রতি সহজাত মমত্ববোধ মানুষকে মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত করে তোলে। তাই মানুষকে হতে হয় অপরের হিতৈষী। আত্মসুখ বিসর্জন দিয়ে পরের কল্যাণে নিজেকে অকাতরে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই মনুষ্যত্ববোধের বিকাশ ঘ...

ভাবসম্প্রসারণ: দুর্নীতি জাতীয় জীবনে অভিশাপ স্বরুপ

দুর্নীতি জাতীয় জীবনে অভিশাপ স্বরুপ ভাবসম্প্রসারণঃ নীতির বিরুদ্ধাচারণ-ই দুর্নীতি। অর্থাৎ প্রচলিত আইন ও নীতি-নৈতিকতাবিরোধী কাজকে দুর্নীতি বলে। জাতীয় জীবনে এ দুর্নীতি বিরাজ করলে তা জাতির সর্বনাশ ডেকে আনে। এর প্রভাবে একটি জাতির স্বপ্ন ও সম্ভাবনা অঙ্কুরেই শেষ হয়ে যেতে পারে; হারিয়ে যেতে পারে অতীত ঐতিহ্য। সত্য ও ন্যায় পথ একটি জাতির জন্য একান্ত অপরিহার্য। কেননা, সত্য ও ন্যায়ের পথে অগ্রসর হলে অবশ্যই সে জাতির উন্নতি সহজ হয়। তাই সত্যের সাধনা জাতির প্রধান কাজ। ন্যায়নীতির পথে চলে জাতি উন্নতির শীর্ষে উঠতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব জাতি উন্নতির দিকে অগ্রসর হয়েছে, তার পেছনে কাজ করেছে সততা ও ন্যায়নিষ্ঠা। অন্যদিকে জাতীয় জীবনে যদি দুর্নীতির প্রবেশ ঘটে তবে সে জাতির উন্নতির পথ হয়ে যায়। রুদ্ধ। তখন জাতির সামনে নেমে আসে ঘোর অমানিশা। অন্যায় বা দুর্নীতি যে জাতির মধ্যে বিরাজ করে সে জাতি নানা অনাচারে মগ্ন হয়। ফলে লোকে জাতির উন্নতির কথা ভুলে গিয়ে নিজের সুখ, সুবিধা ও স্বার্থের কথা ভাবতে থাকে। কীভাবে অন্যকে ঠকিয়ে নিজের লাভের পরিমাণ বাড়ানো যায় দুর্নীতিবাজ মানুষ সে চিন্তাই করে। এক্ষেত্রে নিজের লোভ...