Posts

Showing posts from January, 2021

খুচরা ইলেকট্রিক পন্য আমদানি করে ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। Best Unique Business Ideas

Image
via IFTTT

আগামী কোরবানির ঈদ উপলক্ষে জেনে নিন, গরু মোটাতাজাকরণের পদ্ধতি!

Image
 *****গরু মোটাতাজাকরণের পদ্ধতি******* গরু মোটাতাজাকরণের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে, যেমন- ১. স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান নির্মাণ ২. উপযুক্ত জাত ও ধরণ অনুসারে গরু নির্বাচন ও ক্রয় ৩. সুষম খাদ্য সরবরাহ ৪. রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান নির্মাণ ১. মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়ায় গরুকে বেঁধে পালতে হবে। ২. আলো বাতাস যুক্ত উঁচু জায়গায় গরুর ঘর তৈরি করতে হবে। চারদিক খোলামেলা রাখতে হবে যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে। ৩. গোয়াল ঘরের পূর্বদিকে রোদ ঢোকার এবং দক্ষিণ দিকে বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা করতে হবে। গোয়াল ঘরের উত্তর দিকে বেড়া দিয়ে রাখতে হবে, যেন শীতকালে উত্তরের বাতাস না ঢোকে। ৪. প্রতিটি গরুর জন্য ৩-৪ বর্গমিটার (৭ ফুট X ৫ ফুট) জায়গা হিসেবে ঘর তৈরি করতে হবে। ৫. ঘরের মেঝে ইট বিছানো বা পাকা হতে পারে তবে মসৃণ করা যাবে না। কাঁচা মেঝেতেও গরু পালন করা যায়। ঘরের মেঝের একদিকে ঢালু করতে হবে যাতে গোবর চনা ড্রেন দিয়ে দূরে গর্তে ফেলা যায়। ৬. কাঠ বা বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঘর তৈরি করতে হবে। ৭. ঘরের চালা টিন বা শন দিয়ে তৈরি করতে হবে। গরমের সময় চালা যেন বেশি উত্তপ্ত না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের চ...

জেনে নিন, লিটন নামের এক সফল খামারির গল্প !

Image
কোয়েল-টার্কিতে লিটনের সফলতা কোয়েল পাখি আর টার্কি মোরগির খামার করে সফলতা পেয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার খামারি মো. দেলোয়ার হোসেন লিটন। উপজেলার রামদি ইউনিয়নের বাজরা-মাছিমপুরের নিজ গ্রামে এ খামার গড়ে তুলেছেন তিনি। শুরুতে মাত্র ৬০০ কোয়েল পাখি আর সাতটি টার্কির বাচ্চা দিয়ে খামার শুরু করলেও বর্তমানে তাঁর খামারে ১০ হাজারেরও বেশি কোয়েল পাখি আছে। প্রতিদিন ডিম উৎপাদিত হচ্ছে পাঁচ হাজার। শুধু ডিম থেকে তাঁর আয় হচ্ছে প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা। অপরদিকে খামারে নিজস্ব ইনকিউবেটরের মাধ্যমে মাসে ২৫ থেকে ৩০ হাজার বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করছেন তিনি।  এ সফলতায় বদলে গেছে লিটনের জীবনের চাকা। সংসারে এসেছে সচ্ছলতা। তিনি এখন ওই অঞ্চলের সফলতার রোলমডেল। তাঁকে দেখে উৎসাহিত হয়ে প্রতিদিন আশপাশের গ্রামের বেকার যুবকরা ছুটে আসছে খামারে। পরামর্শ আর সহযোগিতায় গড়ে তুলছেন খামার। বেকারত্ব দূরীকরণে কোয়েল-টার্কির খামার শুধু এই অঞ্চলেই নয়, গোটা বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সফল খামারি লিটনের বিশ্বাস। মো. দেলোয়ার হোসেন লিটন এনটিভি অনলাইনকে জানান, টিনের সেট বা খাঁচা- দুই পদ্ধতিতেই কোয়েল পালন করা যায়। আকারে ছোট...

ফার্ম লাভজনক করার জন্যে করনীয়!

Image
১* খামার করার পূর্বেই সার্বিক বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে! ২* কয়েকটি ফার্ম ঘুড়ে দেখতে হবে,এবং খামারিদের সাথে পরামর্শ করতে হবে! ৩* সম্ভব হলে প্রশিক্ষন নিতে হবে! ৪* যতটুকু সম্ভব আধুনিক উপায়ে বাসস্থান তৈরি করতে হবে! ৫* সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করতে হবে! ৬* যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হতে হবে! ৭* ফার্মে যথাসম্ভব উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে! ৮* পর্যাপ্ত মূলধনের নিশ্চয়তা! ৯* উন্নত জাত সংগ্রহ করতে হবে/জাত দ্রুত উন্নয়ন করতে হবে! ১০* যথাসম্ভব কম মূল্যে কেনার চেষ্টা করতে হবে! ১১* ফার্ম সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে! ১২* পশুকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে! ১৩* কৃমি/অন্যান্য পরজীবী যেগুলো আছে,তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে! ১৪* শ্রমিক নিয়োগ প্রয়োজন হলে,সৎ ও দক্ষ লোক নিয়োগ! ১৫* ফার্ম এবং পশুর সকল তথ্য সংগ্রহে রাখতে হবে! ১৬* সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে! ১৭* যতটুকু সম্ভব কম মূল্যে মানসম্মত খাদ্যের চেষ্টা করতে হবে! ১৮* কোনো রোগ হলে সঠিক ভাবে তা নির্নয় এবং সঠিক চিকিৎসা দিতে হবে! ১৯* ফার্ম সম্পর্কে বিজ্ঞাপন /প্রচার করতে হবে! ২০* ভালো বাজার নির্বাচন এবং বাজারজাত যথাসময় করতে হবে! ২১* ফার্...

নতুন খামার শুরু করার আগে অবশ্য করণীয় !

Image
১) মন থেকে উত্তর বের করুন গরুর প্রতি অথবা জীবিত প্রাণীর প্রতি আপনার ভালোবাসা আছে কিনা। মাটি ও মানুষের প্রতি আপনি ভিতর থেকে আকর্ষণ অনুভব করেন কিনা। শুধুমাত্র লাভের আশায় কখনো খামার করবেন না। জীবিত প্রাণীর প্রতি মমতা না থাকলে থাকলে আপনি কোনোদিনই খামারী হতে পারবেন না। ২) খামার করার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একবার ভালো করে ভাবুন, আবার ভাবুন, এরপর আবার। এরপর একটা প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনি যেটা শুরু করতে চাইছেন সেটার ফলাফল কেমন হতে পারে ভালো করে চিন্তা করুন। অন্যের কথায় কোন সিদ্ধান্ত নিবেন না। নিজের বিবেকবুদ্ধি ও মেধা ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নিন। মনে রাখবেন শুধুমাত্র ফেইসবুক এর উপর নির্ভর করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। গরু পালন মোবাইল বা কম্পিউটারে যত সহজ, বাস্তবে এতো সহজ না। ৩) চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে খামারে অভিজ্ঞ কিছু সৎ মানুষ এর সাথে কথা বলুন। আপনার পরিকল্পনা তাদের সামনে উপস্থাপন করুন এবং তাদের মতামত নিন। সবার মতামত নোট করুন এবং তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনে আপনার পরিকল্পনা পরিবর্তন করুন। তাদের কাছ থেকে খামার করার সুবিধা অসুবিধা গুলো ভালো করে জেনে নিন। কোনো প্রকার তাড়াহুড়া করবেন না। ৪) ফোর...

কিভাবে চায়না ইন্ডিয়া থেকে মেশিন বাংলাদেশে আনবেন। Small Business Ideas

Image
via IFTTT

খামার এর ঘাস এর চাহিদা মেটানোর জন্য চাষ করুন কৃত্তিম জাম্বো ঘাস!

Image
  দুগ্ধ খামারীদের মধ্যে জাম্বো ঘাসের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাঙ্গুড়া উপজেলা পাবনা জেলার একটি ছোট উপজেলা যা প্রায় প্রতি বছর বন্যা কবলিত হয়ে থাকে। ফলে কৃষকদের গাভী পালনে খুব সমস্যা দেখা দেয়। এতদ্বসত্বেও তারা অন্ততপক্ষে গোয়াল ঘরের স্থান বন্যামুক্ত রাখার জন্য মাটি ফেলে উঁচু করেছে। বন্যার পানি সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকে এবং অক্টোবর থেকে আবার নামতে শুরু করে। ফলে, কৃষকরা তাদের জমিতে মাস কলাই, খেসারী ইত্যাদি ছিটিয়ে বপন করে যা গরুকে খাওনোই ছিল তাদের ঐতিহ্য। কিন্তু গত ২০০৭ সালে কৃষকরা উচ্চ মূল্যে যে মাস কলাই ও খেসারী বীজ ক্রয় করে বপন করেছিল তা পর পর দু’বার বন্যার পানিতে ডুবে তাদের মারাত্নক আর্থিক ক্ষতি হয়। কৃষকরা এতে অত্যন্ত হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে এবং গাভী পালনের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠতে থাকে। এই অবস্থায় তাদেরকে উচ্চ ফলনশীল ঘাস চাষের প্রতি আহবান জানানো হয়। এরই ফলশ্রুতিতে এখানে উচ্চফলনশীল জাম্বো ঘাস চাষ শুরু হয় ব্যাপকভাবে। কৃষক ভাইয়েরা নতুন ঘাস জাম্বো চাষ করে আর্থিকভাবে যথেষ্ট লাভবান হয়েছেন। জাম্বো ঘাস একটি স্থায়ী সবুজ ঘাস যা যে কোনো আবহাওয়াতে জন্মাতে পা...

গড়ে তুলুন কোয়েল পাখির ফার্ম দূর করুন ব্যাকারত্ব।

Image
পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা গতানুগতিক চাকরি বা ব্যবসার আশায় বসে থাকে। এ সকল চাকরি বা ব্যবসার আশায় না থেকে আমরা যদি নিজেরাই আত্দকর্মসংস্থানের জন্য কিছু গঠনমূলক কাজ করি তাহলে আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে সমাজকেও আমরা কিছু উপহার দিতে পারব। এজন্য দরকার আত্ববিশ্বাস এবং পরিশ্রম ও নিষ্ঠা। সমাজে এমন অনেক ব্যতিক্রমী পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়বে। বাংলাদেশে এখন সফল কোয়েল পাখির ফার্মের সংখ্যা অনেক। দিন দিন এর চাহিদা ও বাজার বাড়ছে। একদিকে যেমন এ থেকে আদর্শ খাবার হিসেবে ডিম, আমিষের চাহিদা মেটাতে মাংস এবং জৈব সার পাওয়া যাবে বিষ্ঠা। তেমনি অন্যদিকে এ খাত থেকে বেশ ভালো আয় করাও সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অল্পবিস্তর জ্ঞান থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিলে। প্রাথমিক প্রয়োজন : যেকোনো কিছু গড়তে সবার আগে প্রয়োজন প্রাথমিক প্রস্তুতি। এ প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে যে কোনো কাজের সফলতার ও ব্যর্থতা। কোয়েল পাখির ফার্ম গড়ে তুলতে প্রয়োজন আর্থিক সঙ্গতি, অভিজ্ঞতা ও প...

ডেইরি ফার্ম এর খামার করে মাসে যায় করুন ২লক্ষ্য টাকা!

Image
পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা গতানুগতিক চাকরি বা ব্যবসার আশায় বসে থাকে। এ সকল চাকরি বা ব্যবসার আশায় না থেকে আমরা যদি নিজেরাই আত্দকর্মসংস্থানের জন্য কিছু গঠনমূলক কাজ করি তাহলে আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে সমাজকেও আমরা কিছু উপহার দিতে পারব। এজন্য দরকার আত্দবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা। সমাজে এমন অনেক ব্যতিক্রমী পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়বে। আমাদের ক্যারিয়ার পাতায় প্রতিদিনই আমরা চেষ্টা করি কিছু গঠনমূলক প্রজেক্টের ধারণা দিতে। আজকে এরকম একটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করা হলো। এটি হলো ডেইরি ফার্ম। বাংলাদেশে এখন সফল ডেইরি ফার্মের সংখ্যা অনেক। দিন দিন এর চাহিদা ও বাজার বাড়ছে। একদিকে যেমন এ থেকে আদর্শ খাবার হিসেবে দুধ, আমিষের চাহিদা মেটাতে মাংস এবং জ্বালানি হিসেবে গোবর ও জৈব সার পাওয়া যাবে, তেমনি অন্যদিকে এ খাত থেকে বেশ ভালো আয় করাও সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অল্পবিস্তর জ্ঞান থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিলে। প্রাথমিক প্রয়োজন : যেকোনো কিছু গড...

এখনি জেনে নিন, মাছ ও হাঁসের লাভজনক সমন্বিত চাষ পদ্ধতি!

Image
যেভাবে দিন দিন খাল আর নদী দখল ও দুষণ হচ্ছে তাতে করে প্রতিনিয়ত মাছের প্রাকৃতিক উৎস ধ্বংশপ্রাপ্ত হচ্ছে। অন্যদিকে সম্প্রসারিত হচ্ছে পুকুর হচ্ছে মাছে চাষ। বাণিজ্যিকভাবে আমাদের দেশে অনেকে মাছ চাষের সাথে সম্পৃক্ত। আবার অনেকের প্রধান পেশা মাছ চাষ। বর্তমানে মাছের সাথে হাস চাষ বেশ লাভজনক একটি প্রযুক্তি। মৎস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে, পুকুরে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুব সহজে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। ঢাকার আশপাশের এলাকা- ধামরাই, সাভার, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ দেশের অনেক স্থানে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ পদ্ধতিতে অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন- এর জন্য পুকুরে তেমন বাড়তি সার ও খাদ্য দিতে হয় না। মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একই সাথে মাছ, হাঁসও ডিম থেকে সমানে আয় করা যায়। ☛ যেভাবে শুরু করতে পারেন : এ প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে আপনাকে ৪০-৫০ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর লাগবে। ১০০- ১৫০টি হাঁস, ১৫০০-১৮০০টি মাছের পোনা, হাঁসের ঘর। এসব পরিকল্পিতভাবে করলে ভালো হয়। পাহারাদারের ঘরটি হাঁসের ঘরের দক্ষিণ পাশে হলে ভালো হয়। ☛ পুকুর তৈরি করুন নিখুঁত ভাবে : আপনাকে সঠিকভাবে ...

সল্পপুজি এবং অল্প জায়গায় করতে পারেন লাভজনক মুরগির খামার এর ব্যবসা।

Image
মুরগি পালন মুরগি পালন হচ্ছে এমন একটি ব্যবসা যেখানে অল্প দিনে ভালো আয় করা সম্ভব। মুরগির ডিম ও গোশত শুধু সুস্বাদু নয় আমিষ সমৃদ্ধ খাদ্য। মুরগি পালন করলে পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বর্তমানে শহর, উপ-শহর এবং গ্রামেও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মুরগির খামার গড়ে উঠছে। বসত বাড়িতে মুরগি চাষ হচ্ছে একটি সহজ এবং লাভজনক কাজ। বাড়ির গৃহিণীরা খামার স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারে। পারিবারিক এই খামারে ডিম পাড়া মুরগি ছাড়াও ব্রয়লার মুরগি চাষ করা যায়। এ অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে বাণিজ্যিক খামার প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগে। মুরগি পালনের উপকারিতাঃ মুরগির ডিম ও গোশত পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। অল্প টাকা বিনিয়োগ করে অধিক আয় করা যায়। মুরগির বিষ্ঠা জৈব সারের একটি ভালো উৎস। বিচরণের সময় মুরগি পোকা-মাকড় খেয়ে তা দমন করতে সহায়তা করে। বাজার সম্ভাবঃ স্থানীয় বাজার ছাড়াও বড় বড় হাট-বাজারে মুরগি বিক্রি করা যায়। মুরগির ডিম প্রতিবেশীদের কাছে, স্থানীয় দোকানে বা বাজারে পাইকারি বা খুচরা বিক্রি করা যায়। এছাড়া থানা সদরের হোটেলগুলোতেও ডিম বিক্রি করা যায়। মুরগী পালন ব্যবস্থাপনাঃ ছাড়া অবস্থায় মুরগি পালন পদ্ধতি এ...

সল্পপুজি এবং অল্প জায়গায় করতে পারেন লাভজনক ছাগলের খামার এর ব্যবসা। (পার্ট ০২)

Image
ব্লাক বেঙ্গল ছাগল পালন পদ্ধতি বাংলাদেশে ছাগল অন্যতম গৃহপালিত পশু। ছাগী ৭-৮ মাসের মধ্যে বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা অর্জন করে। এটি একসাথে ২-৩টি বাচ্চা দেয়ার কারণে কৃষকের নিকট খুব জনপ্রিয়। একটি ছাগল খাসি ১২-১৫ মাসের মধ্যে ১৫-২০ কেজি হয়ে থাকে। ছাগলের মাংস খুব সুস্বাদু। তাই বাজারে এ ছাগলের অনেক চাহিদা রয়েছে। ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।কারণ গাভী পালনের জন্য প্রাথমিক মূলধন, বাসস্থান ও খাদ্য বেশি লাগে।প্রচলিত পদ্ধতিতে ছাগল পালন :  গ্রামে ছাগলকে মাঠে, বাগানে, রাস্তার পাশে বেঁধে বা ছেড়ে দিয়ে পালন করা হয়। সাধারণত ছাগলকে বাড়ি থেকে কোনো বাড়তি খাদ্য সরবরাহ করা হয় না। কৃষক বর্ষাকালে বিভিন্ন গাছের পাতা কেটে ছাগলকে খেতে দেয়। রাতে ছাগলকে নিজেদের থাকার ঘর বা অন্য কোনো ঘরে আশ্রয় দেয়।বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ছাগল পালনের জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এতে ছাগলের বাসস্থান, খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈজ্ঞানিক উপায়ে আবদ্ধ ও অর্ধ-আবদ্ধ পদ্ধতিতে ছাগল পালন করা হয়। যাদের চারণ ভূমি বা বাঁধার জন্য কোনো জমি নেই সেখানে আবদ্ধ পদ্ধতিতে ছাগল পালন করা হয়। আবদ্ধ পদ্ধতিতে ছাগল পালনঃ- এখানে সম্প...

সল্পপুজি এবং অল্প জায়গায় করতে পারেন লাভজনক ছাগলের খামার এর ব্যবসা। (পার্ট ০১)

Image
  ছাগল ফার্ম শুরু করার আগে কিছু প্রশ্ন মাথায় গুরতে থাকে। আসলে প্রথম অবস্থায় আরও অনেক প্রশ্ন মোণে ঘুরপাক করতে থাকে। সঠিক সময়ে সঠিক উত্তর গূলো পাওয়া গেলে কিছুটা আরাম সম্ভব। আমার উত্তর গুলোর সাতে হয়তো কারো দ্বিমত থাকতে পারে, অনুগ্রহ করে আপনার সঠিক মতামত/পরামর্শ প্রদান করলে সকলের উপকার হবে আশা করি ১) কয়টি ছাগল দিয়ে শুরু করলে ভালো হয় ? উত্তর ঃ আপনার ছাগল পালন এর অভিজ্ঞতা ও আপনার সক্ষমতার উপর নির্ভর করবে- কয়টি দিয়ে আপনি শুরু করবেন। একবারে প্রথম অবস্থায় ১০-টি ছাগী ও একটি ভালো পাঁঠা দিয়ে শুরু করতে পারেন। ২) কোন জাত দিয়ে শুরু করবো ? উত্তর ঃ খামার আর ছাগল সংগ্রহর সময় আপনাকে কয়েকটি গুনাগুন এর ব্যাপারে নজর দিতে হবে, যেমন ধরুন... যে ছাগল এর দৈনিক ওজন দ্রুত বাড়ে এমন ছাগল নির্বাচন করা,দুধ উৎপাদন ভালো, বাচ্চার সংখ্যা নিম্নে ২ টা প্রতিবার, বাচ্চার মৃত্যু হার কম, ১৪ মাস এ যেন দুবার বাচ্চা দেয়,রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশী এমন ছাগল নির্বাচন করতে হবে। আমাদের দেশ এ ক্রসবেঙ্গল জাত টা দিয়ে খামার করলে ভালো করা যায়। ৩) ভালো ছাগল/পাঠা কোথায় পাবো ? উত্তর ঃ বাংলাদেশ এর সব এলাকায় মোটামুটি ছাগল পাবেন। আপনার নিজেকে দে...

কবুতরের বাসস্থান এবং খাদ্য তালিকা। (পার্ট ০৩)

Image
কবুতরের ঘর আমাদের দেশে বিশেষত গ্রামে টিন বা খড়ের চালা ঘরের কার্ণিশে মাটির হাড়ি অথবা টিন বেঁধে রেখে কবুতর পালনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া কাঠের তৈরি ছোট ছোট খোপ তৈরি করেও কবুতর পালা হয়ে থাকে। মজার ব্যাপার হলে, কয়েক জোড়া কবুতরের ঘর করে এক জোড়া কবুতর পালন করলে কয়েক দিনের মধ্যে বাকী ঘরগুলোতে নতুন জোড়া কবুতর এসে বাসা বাঁধে। কবুতর পোষা খুব সহজ এবং লাভজনক তা বলাই বাহুল্য। অল্প-পরিসরে যা বাণিজ্যিকভিত্তিতে কবুতর পালনের জন্য অবশ্যই সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। নিম্নে কবুতরের ঘর বা খোপ তৈরির বিশেষ ব্যবস্থাসমূহ আলোচনা করা হলো। স্থান নির্বাচনঃ কবুতরের খামারের জন্য উঁচু ও শুষ্ক সমতল ভূমি থাকা প্রয়োজন। ঘরের উচ্চতাঃ কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর, বেজী ইত্যাদি যেন কবুতরের ঘর নাগালে না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ঘর উঁচু করতে হয়। এ উদ্দেশ্যে কাঠ বা বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার উপর ঘর নির্মাণ করা যেতে পারে। ঘরের পরিসরঃ প্রতি এক জোড়া কবুতরের জন্য একটি ঘর থাকা প্রয়োজন। এক জোড়া কবুতর যাতে ঘরের ভিতর স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে ফিরতে পারে তা লক্ষ্য রেখে ঘর নির্মাণ করতে হবে। স্বাস্থ্য সম্মত ব্যবস্থাঃ কবুতর...

কবুতরের জাত পরিচিতি। (পার্ট ০২)

Image
  কবুতরের জাত বহুবিচিত্র ধরনের নানা জাতের কবুতর রয়েছে। আমাদের দেশে ২০ টিও অধিক জাতের কবুতর আছে বলে জানা যায়। নিম্নে প্রধান কয়েকটি জাত সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। ১। গোলা এই জাতের কবুতরের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। আমাদের দেশে এ জাতের কবুতর প্রচুর দেখা যায় এবং মাংসের জন্য এটার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। ঘরের আশেপাশে খোপ নির্মাণ করলে এরা আপনাআপনি এখানে এসে বসবাস করে। এদের বর্ণ বিভিন্ন সেডযুক্ত ধূসর এবং বারড-ব্লু রংয়ের। এদের চোখের আইরিস গাঢ় লাল বর্ণের এবং পায়ের রং লাল বর্ণের হয়। ২। গোলী গোলা জাতের কবুতর থেকে গোলী জাতের কবুতর ভিন্ন প্রকৃতির। এ জাতের কবুতর পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের কলকাতায় বেশ জনপ্রিয় ছিল। এদের লেজের নীচে পাখার পালক থাকে। ঠোঁট ছোট হয় এবং পায়ে লোম থাকে না। এদের বর্ণ সাদার মধ্যে বিভিন্ন ছোপযুক্ত। ৩। টাম্বলার এসব জাতের কবুতর আকাশে ডিগবাজী খায় বলে এদের টাম্বলার বলে। আমাদের দশে এই জাতটি গিরিবাজ নামে পরিচিত। এদের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের দেশে এদের যথেষ্ট কদর রয়েছে। ৪। লোটন লোটন কবুতরকে রোলিং (rolling) কবুতরও বলা হয়। গিরিবাজ কবুতর য...

স্বল্প পুঁজি এবং অল্প জায়গায় করতে পারেন লাভজনক কবুতর খামার। (পার্ট ০১)

Image
  নতুনদের জন্য কবুতর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা  কবুতর বা পায়রা  এক প্রকারের পাখি যার মাংস মনুষ্যখাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কবুতর গৃহপালিত পাখি। প্রাচীন কালে কবুতরের মাধ্যমে চিঠি আদান-প্রদান করা হতো। কবুতর উড়িয়ে প্রতিযোগিতা প্রাচীন কাল থেকে অদ্যাবধি প্রচলিত আছে। গৃহপালিত কবুতরের বৈজ্ঞানিক নাম Columba livia । এটি "ডমেস্টিকা" পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।  বাংলাদেশ কবুতর পালনের জন্য এখন পৃথিবীর কাছে ভালই পরিচিত। বিষয় সমূহ ১ খাদ্য ২ জীবনকাল, প্রজনন ৩ রোগ ব্যাধি ৪ ধরন/জাত খাদ্য কবুতরের খাবার হছে গম, চাউল, কাউন, ধান, খুদ, চিনা সরিষা, ডাবলি, রেজা, বাজরা, বিভিন্ন বিজ ইত্যাদি খায় । মুরগির জন্য তৈরি খাবারও কবুতর খায়। খাবারের সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি দিতে হয়। ২×২ ফুট স্থানের মধ্যে দুটি কবুতর থাকতে পারে। কবুতরের বাসস্থান কুকুর, বিড়াল, বেজী ইত্যাদি প্রাণী থেকে দূরে রাখতে হয়। কবুতরের ঘরে যাতে পানি না আসে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। জীবনকাল, প্রজনন জঙ্গলী কবুতর ৫ বছর এবং গৃহপালিত কবুতর ১০-১৫ বছর বাঁচে। ৫-৬ মাস বয়স হলে স্ত্রী কবুতর ডিম দেয়। গড়ে প্রতি প্রতি মাসে এ...

Best Cheap Budget Business For Housewife | The Best Business For Women Bangla

Image
via IFTTT

সামান্য পুঁজি দিয়ে শুরু করতে পারেন সুগন্ধির ব্যবসা!

Image
সব মানুষই চায় নিজের সফলতা নিজেই আনতে। কেউই পরনির্ভরশীল হতে চায়না, কিন্তু বর্তমান সমাজ ও দেশের আর্থিক অবস্থার কথা চিন্তা করে অনেকেই তার নিজের স্বপ্নকে মাটি চাপা দিয়ে অন্যের প্রতিষ্ঠানে গাধার খাটুনি খাঁটছে। সারাদিন নিজেকে সুবাসিত রাখতে এটি অপরিহার্য। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা সুগন্ধির ব্যবহার বেশিই করে থাকে। তাই এর চাহিদাও বেশ। বাড়িতে সুগন্ধি বানিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব। এর বিক্রিও বেশ ভালো। হাতে কিছু পুঁজি থাকলে আপনিও শুরু করতে পারেন সুগন্ধি উৎপাদন। প্রাকৃতিক উপাদান থেকেই সুগন্ধি তৈরি করা যায়। তাই এ ব্যবসায় কৃত্রিম উপকরণ চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি রয়েছে। যেমন থফ্লোরাল, মসলা বা স্পাইসি, অ্যালকোহলিক প্রভৃতি। ফুল থেকে যে সুগন্ধি তৈরি হয়, সেগুলো ফ্লোরাল গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। স্পাইসি বা মসলা সুগন্ধি হচ্ছে লবঙ্গ, দারুচিনি, তেজপাতা, গোলমরিচ, এলাচি প্রভৃতি থেকে তৈরি। অ্যালকোহল-জাতীয় সুগন্ধি তৈরিতে মূলত বিশ্বের নামকরা অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া চামড়া বা তামাক, এমনকি বিভিন্ন জাতের গাছের নির্যাস যেমন চন্দন, কস্তুরি, জাফরান, আগর, ভ্যানিলা, বালসামের মিষ্টি গন্ধ থেকেও নানা ধরনের সুগন্ধি...

জেনে নিন, কিভাবে আপনি আপনার ব্যবসার নাম নির্ধারণ করবেন!

Image
 একজন মানুষের নাম দিয়ে অনেক সময় তার বংশ সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ করা যায়। তাই দেখা যায় বাবা মা তার সন্তানের নাম অনেক যাচাই বাছাই করে রাখেন। আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রেও একই। আপনার ব্যবসার নামও আপনাকে ভেবে চিনতে রাখতে হবে। নামটি এমন হতে হবে যেন সেটা আপনার ব্যবসার উপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়।  মনে রাখবেন মার্কেটে হাজার হাজার ব্যবসার নাম আছে, সেখান থেকে গ্রাহকেরা আপনার ব্যবসাকে নাম দিয়ে আলাদা করবে। আপনি আপনার ব্যবসাকে নাম দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পারনবেন। এ ক্ষেত্রে নাম যদি না থাকে তবে মানুষ আপনাকে চিনবে না আপনার প্রতি কোন প্রকার আগ্রহ প্রকাশ করবে না। সমাজে নামের গুরুত্ব তো আপনি বুঝেনই।  তাই কোন ব্যবসা শুরু করার আগে নামের দিকে অবশ্যই মনোযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অল্প কিছু বিষয়ের দিকে আপনাকে লক্ষ রাখতে হবে। আসুন সে সব বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে জেনে নেই।  আপনার ব্যবসার নাম পছন্দ করবেন যে ভাবে ১। নাম বর্ণনামূলক হওয়া জরুরী- ব্যবসার নাম এমন হবে যেন গ্রাহক নাম শুনেই অনেক কিছুই বুঝে নিতে পারে। যেমন ধরা যাক একটি কোম্পানির নাম বা ব্যবসার নাম nilkhet.com সাধারনভাবেই এই নাম থেকে গ্রাহক বু...

জেনে নিন কিভাবে ব্যবসা সংক্রান্ত নতুন নতুন আইডিয়া পাওয়া যায় !

Image
  ব্যবসা যতটা সহজ ঠিক ততটাই কঠিন। ব্যবসা শুরুর আগে সর্বপ্রথম ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারনা নিয়ে আপনাকে মাঠে নামতে হবে। অনেকে চিন্তায় পরে যান নতুন নতুন ধারনা কিভাবে পাব, কোথায় পাব। আসুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে নতুন নতুন আইডিয়া বা ধারনা পাওয়া যেতে পারে।  ১। নতুন কোন আইডিয়া পাওয়ার জন্য বাহিরে সবার সাথে কথা বলুন- ঘরে বসে চিন্তা না করে বেড়িয়ে পরুন আইডিয়ার খোঁজে। আপনার আশে পাশের মানুষদের সাথে কথা বলুন। অভিজ্ঞদের থেকে শুনুন, নতুন কিছু জানুন, তাহলে পেয়ে যাবেন অনেক মুল্যবান আইডিয়া। অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ নিন, তারপর ব্যবসার জন্য বাজেট তৈরি করুন। কোন কিছু জানার জন্য লজ্জিত হবেন না। এতে করে আপনি অনেক পিছিয়ে পরতে পারেন। ২। ব্যবসায় নামার আগে নিজেকে বাজিয়ে দেখুন- আপনি কেন ব্যবসা শুরু করতে চান, আপনি কি কাজ করতে ভালবাসেন, আপনি কোন কাজ সবচেয়ে ভাল করতে পারবেন, ইত্যাদি প্রশ্ন নিজেই নিজেকে করুন। আপনার খুজে পাওয়া উত্তর আপনাকে বলে দেবে আপনি কতদূর যেতে পারবেন, আপনার দ্বারা কোন ব্যবসা হবে। আপনি একটা কাজ করবেন সেটি যদি আপনার মন মত না হয় অথবা আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাহলে সেটাতে আপনি মনোযোগ দিতে পারবেন না তাই সফল...

সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারবেন আপনার জিনিস! জেনে নিন কিভাবে?

Image
 সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা সরকারি সংস্থাগুলির প্রয়োজনমাফিক পণ্যদ্রব্য বা পরিষেবা ক্রয় করার জন্য সচিবগোষ্ঠীর সুপারিশ মেনে নিয়ে ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ সালে একটি স্বতন্ত্র সরকারি ই-মার্কেটপ্লেস চালু করার সিদ্ধান্ত নেন। ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের সংস্থাগুলির উন্নয়ন ও বৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই সরকার এই ই-মার্কেটপ্লেস চালু করে। আর তাই, আপনি যদি এই প্রতিযোগিতার যুগে নতুন ব্যবসা শুরু  করতে চান, তাহলে আপনাকে আপনার প্রতিযোগীকে টেক্কা দিতে সম্ভাব্য প্রত্যেকটা উপায় জেনে রাখতেই হবে। আর সরকারের ই-মার্কেটপ্লেস নিশ্চিতভাবেই হতে পারে আপনার তেমনই এক সেরা উপায়। সরকারি ই-মার্কেটপ্লেস (Government E-Marketplace) আসলে কী? সংক্ষেপে, Government E-Marketplace (GEM) হল একটা অনলাইন বাজার যেখানে সরকারের তালিকায় নথিভূক্ত ক্রেতারা সরাসরি অনলাইন বিক্রেতাদের থেকে পণ্য বা পরিষেবা কিনতে পারে। ধরা যাক, আপনি ল্যাপটপ বিক্রি করেন, আর আপনি কোনও সরকারি সংস্থাকে ল্যাপটপ বিক্রি করতে চান। আপনাকে শুধু আপনার পণ্যটিকে সরকারের ই-মার্কেটপ্লেস পোর্টালে গিয়ে নথিভূক্ত করতে হবে। আপনার আবেদন অনুমোদিত...